মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
বানারীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এস এম শামীম ব্যাপারী’র ইন্তেকাল বানারীপাড়া চাখার ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হতে চায় আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দিন যথাযথ মর্যাদায় লক্ষ্মীপুরে আন্তর্জাতিক নারীকে দিবস পালন করেছে জেলা প্রশাসন দিনাজপুরে চাঁকা বাস্ট হয়ে হেলপারের মৃত‍্যু তালতলীতে ৫ম শ্রেনীর শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় কলেজের দপ্তরীর বিরুদ্ধে মামলা আলমডাঙ্গায় ভ্রাম্যমাণ অভিযানে ২ টি প্রতিষ্ঠানে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা বানারীপাড়া সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আক্তার মোল্লা বাগেরহাটের বাদোখালী চাচা-ভাতিজার উপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

হাসপাতালের অনিয়মের ছবি তোলায় সাংবাদিক অবরুদ্ধ

মাসুদুল হাসান মাসুদ, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৯ Time View

করোনা পরীক্ষা করতে আসা রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ছবি তুলতে গিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে এক সাংবাদিক লাঞ্ছিত হয়েছেন। এ সময় হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারে ওই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করা হয়।

লাঞ্ছনার শিকার অভিজিৎ ঘোষ ঢাকা পোস্টের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে হাসপাতালের আউটডোরের টিকিট কাউন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

সরকারি হাসপাতালে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফি সরকার ১০০ টাকা নির্ধারণ করলেও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে এক হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রোগীদের।

ভূঞাপুর উপজেলা থেকে করোনা পরীক্ষা করতে আসা সজীব হোসেন বলেন, আমি ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। কাজে যোগদানের জন্য করোনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। করোনা পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল হাসপাতালের আউটডোরে এলে এক হাজার টাকা দাবি করেন কাউন্টার ইনচার্জ। এক টাকাও কম হবে না বলে জানিয়ে দেন তিনি।

সাংবাদিক অভিজিৎ ঘোষ বলেন, করোনা পরীক্ষার জন্য রোগীদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নিচ্ছেন কাউন্টার ইনচার্জ রুবেল। আমার সামনে তিনজনের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নিয়েছেন। ১০০ টাকার করোনা পরীক্ষার ফি কেন এক হাজার টাকা জানতে চাইলে কোনো উত্তর দেননি রুবেল।

এ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নেওয়ার ছবি তুলতে গেলে আমাকে ঘিরে ধরেন টিকিট কাউন্টারের সহকারী সোহাগ ও ইনচার্জ রুবেল। তারা আমাকে টেনেহিঁচড়ে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তার (আরএমও) কক্ষে নিতে চান। নিতে না পেরে টিকিট কাউন্টারে আমাকে অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা আমাকে উদ্ধার করেন।

টিকিট কাউন্টারের ইনচার্জ মো. রুবেল বলেন, অনুমতি ছাড়া হাসপাতালে ছবি তোলা নিষেধ। ওই সাংবাদিক ছবি ও ভিডিও তুলছিলেন। তাকে আরএমওর রুমে যেতে বলা হয়েছিল, অবরুদ্ধ করা হয়নি।

টাঙ্গাইল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) শফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, বিষয়টি জানার পর সাংবাদিককে আমার রুমে নিয়ে আসতে টিকিট কাউন্টারের ইনচার্জকে নির্দেশ দিই। কিন্তু সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করা হয়নি। করোনা পরীক্ষার টিকিটের জন্য বাড়তি টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। হাসপাতালের কেউ নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib