শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
আমতলীতে আয়রণ ব্রিজ ভেঙ্গে খালে ৭ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষের ভোগান্তি কলারোয়া এনজিও সংস্থা উত্তরণের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে কাবিটার বরাদ্ধ দিয়ে শহরে রুপান্তরিত হচ্ছে গ্রাম স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে রংপুরে মোবাইল কোর্ট ‌ত্রিশাল পৌরসভার বা‌জেট ঘোষণা আমতলীতে হ্যাট্রিক পূর্ণ করলেন চাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান বাদল খাঁন সড়কবাতিতে পুরো নগরীতে ফিরেছে প্রাণ-রসিক মেয়র নীলফামারী পৌর সভার ৪৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা কলারোয়ার ধানদিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে ব্র্যাকের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করোনায় স্কুল বন্ধ, অফিস কক্ষেই অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা: প্রতিবাদ করায় হয়রানিমূলক মামলা
সিলেট বিভাগের সকল জেলায় জেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহীগন যোগাযোগ করুন somoysongjog24@gmail.com

স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা গণপরিবহন চালানোর চেষ্টা করছি

রংপুর ব্যুরোঃ
  • Update Time : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ১৮ Time View
স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা গণপরিবহন চালানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু বিধিনিষেধ মেনে গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন কারণে এটা অসম্ভব। সকালে ও বিকেলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী পরিবহন অসম্ভব দাঁড়িয়েছে। সকালে বেশিরভাগ মানুষ অফিসে যান। এ সময় সবাই তাড়াহুড়ো করে গাড়িতে উঠতে চায়।
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে গণপরিবহন চালু রাখা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সভাপতি ও উত্তরবঙ্গ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা।
আজ বুধবার দুপুরে  রংপুর নগরীর দক্ষিণ গুপ্তপাড়ায় জেলা মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মসিউর রহমান রাঙ্গা এসব  কথা বলেন।
মসিউর রহমান  আরো বলেন, একটা গাড়িতে একজন ড্রাইভার, একজন হেলপার ও টিকিট কালেক্টর থাকেন। তারা তো একাই এতো যাত্রীদের সামাল দিতে পারেন না। এই সমস্যা শুধু বাসে নয়, সবখানেই একই অবস্থা। অনক সময় যাত্রীরা ধাক্কা দিয়ে গাড়িতে উঠে যায়।
তিনি বলেন, আমরা সরকারকে বলেছি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে বিআরটিএ, পুলিশ, বিজিবি, আনসারের লোকজন দিয়ে মনিটরিং করতে। আমরা তো যাত্রীদের গাড়ি থেকে জোর করে নামিয়ে দিতে পারি না, যাত্রীরা আমাদের লক্ষ্মী। তবে আমরা শ্রমিকদের বলেছি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাড়ি চালানোর জন্য।
তিনি আরও বলেন, করোনায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। লকডাউনে ৮৭ দিন গাড়ি বন্ধ ছিল। এই বন্ধের সময়ে যে ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরণীয়। আমরা গাড়ি না চালালে সরকারকে রাজস্ব দিতে পারব না। এজন্য সরকারের কাছে রাজস্ব মওকুফের আবেদন জানিয়েছি। সরকার থেকে আমাদের প্রণোদনা দেওয়ার কথা। টাকা হাতে পেলে প্রত্যেক জেলায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মসিউর রহমান বলেন, করোনার কারণে মালিক-শ্রমিক সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। সরকার সবাইকে প্রণোদনা দিচ্ছেন। এ কারণে আমরাও প্রণোদনা চেয়েছি। সারাদেশে প্রায় ১২ লাখ গাড়ি রয়েছে। আমরা সরকারের কাছে ২৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা চেয়েছি।
 এ সময় সমিতির সাবেক সভাপতি আবু আজগর পিন্টু, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি এ কে এম মোজাম্মেল হকসহ পরিবহন মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib