শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
ঝালকাঠিতে শহীদ মিনার ভেঙে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে অবৈধভাবে স্টল নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের জন্য জবির ১৮ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি খাগড়াছড়িতে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত। মাধবপুর পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুয়াকাটায় ডাক্তার গ্রুপের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে এনে সংবাদ সম্মেলন পিরোজপুরের নাজিরপুরে দুই শিক্ষার্থীকে আটকে মারধর করার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের হিলি স্থল বন্দর পরিদর্শন টঙ্গীতে যুবলীগ নেতা আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের সংবাদ সম্মেলন পিরোজপুরের নাজিরপুরে কলেজ ছাত্রী ও স্কুল ছাত্রকে দিনভর আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা: গ্রেফতার- ১ পঞ্চম বারের মতো রংপুর রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে পুরস্কার পেলেন বিপ্লব কুমার সরকার।

মাধবপুর বাগানগুলোসহ ও সাতছড়ি আজও পৌঁছেনি মোবাইল নেটওয়ার্ক

পিন্টু অধিকারী , মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২০ Time View

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার  এশিয়ার বৃহত্তম চা বাগান সুরমা চা বাগানের এলাকাগুলো ও চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ী জাতীয় উদ্যান ও সাতছড়ী চা বাগান এলাকায় এখনো পৌঁছেনি মোবাইল নেটওয়ার্ক। দেশের সংবিধানে সকল নাগরিকদের সমান অধিকারের কথা বলা হলেও বাস্তবে এ-সব এলাকার লোকজন প্রতিটি ক্ষেত্রেই বঞ্চিত হচ্ছে বিভিন্ন অজুহাতে।এব্যাপারে সাতছড়ী জাতীয় উদ্যান এলাকার বাসিন্দা আশীষ দেববর্মা বলেন পর্যটন এলাকা হিসেবে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা প্রয়োজন এই এলাকাটিকে। কারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় অনেক পর্যটক এখানে আসতে চায় না। ব্রাহ্মণবাড়িয় থেকে সাতছড়ী জাতীয় উদ্যানে বেড়াতে আসা ব্যাবসায়ী আলমগীর কবির বলেন, এখানে ঘুরতে এসে দেখি মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। তাই সারাদিন থাকার পরিকল্পনা নিয়ে আসলেও দ্রুত চলে যেতে হচ্ছে। কারণ ব্যাবসার প্রয়োজনে মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকার সুযোগ নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ,” মোবাইল নেটওয়ার্ক এর আওতায় আনার জন্য এখানে টাওয়ার বসানো হলে তা জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে টাওয়ারের আশপাশের এলাকার পাখির ডিম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে পাখির বংশবিস্তার ব্যাহত হবে।” এমন উদ্ভট দাবি করে বনবিভাগের কর্তৃপক্ষ এখানে মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার বসানোর অনুমতি দিচ্ছে না। সাতছড়ী গাড়টিলা এলাকার বাসিন্দা সিরিজ বলেন, সাতছড়ী জাতীয় উদ্যানের কাছে টাওয়ার বসালে যদি সমস্যা হয়, তাহলে পার্শ্ববর্তী সুরমা চা বাগানে যে কোন একটি মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার বসানো হলেও আমাদের সমস্যার সমাধান হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাতছড়ী চা বাগানের এক শ্রমিক জানান, আমাদের এলাকায় ভারতের বিভিন্ন কোম্পানির মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় কিন্তু বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার না থাকায় নেটওয়ার্ক নেই। ফলে অনেকেই লুকিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির সিম ব্যবহার করে। মোবাইল কোম্পানি গুলোর কারণে আমরা বুঝতে পারি না আমরা কি বাংলাদেশের নাগরিক নাকি ভারতীয়? স্থানীয় জনসাধারণের দাবি সুরমা চা বাগান, সাতছড়ী চা বাগান, সাতছড়ী জাতীয় উদ্যান ও মোবাইল কোম্পানির কর্তৃপক্ষ সমন্বয় করে একটি টাওয়ার বসানো হলে পর্যটন ও স্থানীয় জনসাধারণ উপকৃত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib