বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
জবিতে ‘বাংলাদেশের উপন্যাসে দেশভাগ ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা’ শিরোনামে পিএইচ.ডি সেমিনার অনুষ্ঠিত ত্রিশালে মায়ের হাতে শিশু খুন ফ্রান্সে মহানবীর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ নীলফামারী সদর ৫ নং টুপামারীর ইউনিয়ন পরিষদে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ। তারাগঞ্জে গরুবাহী নসিমনের নিচে চাপা পড়ে নিহত একজন আউচপাড়া ইউনিয়নের হাড়িপাড়া বিল,ব্যক্তি মালিকানা জমি লিজের মাধ্যমে এলাকাবাসীর মাছ চাষ জবির পরিবহন পুলে নতুন দুইটি এসি মাইক্রোবাস চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিভিন্ন সারের দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা আদায় নওগাঁয় বন্ধ হয়ে যাওয়া বয়লার চাতালে বস্তায় মাটি ভরে আদা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন মোনায়েম হোসেন নামের এক চাতাল মালিক ঝালকাঠিতে আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ আত্মসাত ও সেচ্ছাচারীতার প্রতিবাদে মানববন্ধন

মতিজনের আকুতি,শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি চাই

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৯
  • ৬৫ Time View

আলো রহমান আখি, রংপুর ব্যুরো:
রংপুর মহানগরীর তাজহাট এলাকার বসবাসরত মতিজন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে স্বামী হারিয়ে এখন ছেলে-মেয়ে নিয়ে মানবতার জীবনযাপন করছেন । একদিকে স্বামী হারানোর বেদনা, অপরদিকে শহীদ পরিবারের স্বাকৃতি না পাওয়ার বেদনা।

তার সংঙ্গে যোগ হয়েছে নিত্য দিনের অভাব অনটন । গত বুধবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে রংপুর মহানগরীর তাজহাট এলাকায় বৃদ্ধা মতিজনের প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিবেদকের সাথে কথা হলে তিনি এ দাবী তোলে ধরেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার হিসেবে আর্থিক অনুদান পেলেও শহীদ পরিবার হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি মতিজন নেছা। মতিজন রংপুর মহানগরীর জুম্মাপাড়ার ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া শহীদ আব্দুল হাকিমের সহধর্মিনী। মুক্তিযোদ্ধা স্বামীর মরদেহ উদ্ধার কিংবা এক নজর দেখতে পায়নি পরিবারের সদস্যরা। এজন্য মুত্যু ওয়ালী আহমেদের ছেলে শহীদ আব্দুল হাকিমের সহধর্মিনী মতিজন নেছার খুব দু:খ হয়। দু:খ হলেও মতিজনের শেষ ইচ্ছে, মৃত্যুর আগ মহূর্তে হলেও যেন শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি পায় তার পরিবার। তাই সংশ্লিষ্ট দফতরের সু-দৃষ্টি চেয়েছেন তিনি। তিনি এও জানান, ১৯৭৩ সালের ৫ই মার্চ তার নামে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ থেকে ২৭৪ নং স্মারকে চিঠি আসে। ওই চিঠির ভিতরে ২ হাজার টাকার একটি চেক ছিল। যা পরে রংপুর জেলা প্রশাসক অফিসের এক ম্যাজিষ্ট্রেটের পরামর্শে অগ্রণী ব্যাংকে একটি হিসেব খোলেন ও টাকা উত্তোলন করেন। বর্তমানে তিনি জীর্ণ চালা ঘরে খেয়ে না খেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যসহ অতিকষ্টে জীবন যাপন করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib