বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
ঝিকরা ৪নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কাউন্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র শরিফুজ্জামান উজ্জ্বল হিলি সীমান্ত ওআশে পাশের বিওপি ক‍্যাম্পের বিজিবি সদস‍্যদের মাদক বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমান মাদক শাড়ী উদ্ধার আটক ১ বগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার চেক হস্তান্তর বাগেরহাটে জনশুমারি ও গৃহগননার অবহিতকরন সভা বাগেরহাটে সাড়ে ৭ লাখ ডোজ কোভিট ১৯ টিকা রাখার ওয়ারহাউজ প্রস্তুত বানারীপাড়া বন্দর বাজারে অনুমোদনহীন ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ নওগাঁয় ভাষা সৈনিক শেখ নুরুল ইসলামের ১৩তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরনসভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেক অগ্রসর হয়েছে -বললেন সিটি মেয়র জামালপুরে চলন্ত ট্রাকচাপায় এক জনের মৃত্যু অধিকার আদায়ে অনলাইন প্রেস ইউনিটির সদস্য হওয়ার আহবান

বেরোবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের ‘অবৈধ’ নিয়োগ বাতিল চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

রংপুর ব্যুরোঃ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৬ Time View

বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়, রংপুর-এর শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক তাবিউর রহমান প্রধানের ‘অবৈধ ও জালিয়াতির মাধ্যমে’ নিয়োগ বাতিল চেয়ে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত একই বিভাগের শিক্ষক মাহামুদুল হকের জ্যেষ্ঠতা, জ্যেষ্ঠতানুযায়ী পদোন্নতি, বকেয়া বেতন ও চাকরির আনুতোষিক বিষয়াদি প্রদানেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে ওই নোটিশে। তাবিউরের নিয়োগ বাতিলসহ মাহামুদুলকে তার ওইসব অধিকার ১৫ দিনের মধ্যে দেওয়া না হলে আদালতে মামলা করা হবে বলে হুশিয়ার করা হয়েছে ওই নোটিশে।

হাইকোর্টের রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত একই বিভাগের শিক্ষক মাহামুদুল হকের পক্ষে বুধবার (০২.১২.২০২০) নোটিশটি বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং ওই বিভাগের প্রধানকে পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসনাত কাইয়ূম। লিগ্যাল নোটিশটি আজ সাংবাদিকদের হাতে এসেছে। ওই নোটিশে বলা হয়েছে, মাহামুদুল হক-এর রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোট মাহামুদুল হককে ১৩ জানুয়ারি ২০১২ সালে গঠিত নিয়োগ সংক্রান্ত বাছাই বোর্ডের সুপারিশ অনুয়ায়ী নিয়োগ দিতে বলেন। হাইকোর্ট ১৫ অক্টোবর ২০১৭ ওই রায় দেন কিন্তু উপাচার্য ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ’র নেতৃত্বধীন বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই রায় বাস্তবায়ন করেনি। এরপর মাহামুদুল হক বিশ^বিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য ও রেজিস্টারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলাও করেন যা এখনো চলমান রয়েছে।

উপাচার্য ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে উদ্দেশ্য করে ওই নোটিশে বলা হয়েছে যদিও উপাচার্য বিশ^বিদ্যালয়ে যোগাদান করতে দিয়েছে মাহামুদুল হককে কিন্ত তিনি আদালতের রায় অনুযায়ী (ওই বাছাই বোর্ড অনুযায়ী) তাকে নিয়োগ দেননি যা আদালত অবমানকর। নোটিশে বলা হয়েছে সবোর্চ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী বর্তমান উপাচার্য নিয়োগ দেননি মাহামুদুল হককে যার ফলে তিনি ‘জালিয়াতি ও অবৈধভাবে’ নিয়োগপ্রাপ্ত তাবিউর রহমানসহ দুইজন শিক্ষকের চেয়েও জুনিয়র এখন বিভাগে। এমনকি, মাহামুদুল হককে সম্প্রতি পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির অনুমতি দেননি উপাচার্য ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর নেতৃত্বধীন বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য যে, পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির অনুমতি উপাচার্য ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ না দেওয়ায় মাহামুদুল হক গত বুধবার বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়, রংপুর-এর চ্যান্সেলর এবং রাষ্ট্রপতির নিকট এক আপিল আবেদনে এর প্রতিকার চেয়েছেন এবং জ্ঞানার্জনবিরোধী এ কর্মকান্ডের জন্য উপাচার্যের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহণেরও অনুরোধ করেছেন। বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়, রংপুর আইন-২০০৯ এর ধারা ৯ (৪, ৫) অনুযায়ী তিনি এ প্রতিকার চেয়েছেন।

বাছাইবোর্ড ও সিন্ডিকেটের নথিতে দেখা যায়, ২০১২ সালে ১৩ জানুয়ারি বাছাই বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী মেধা তালিকায় থেকে একজন যোগদান না করায় অপেক্ষমান তালিকার প্রথম মাহামুদুল হক-এর যোগদান করার কথা। বাছাই বোর্ডের সুপারিশপত্রে তাবিউর রহমানের নামই ছিল না। পরে কম্পিউটারে প্রিন্টকৃত ১ ও ২ নম্বর সিরিয়ালের পরে ৩ নম্বর সিরিয়াল হাতে-কলমে লিখে অপেক্ষামাণ তালিকায় তৃতীয় হিসেবে জালিয়াতি করে তাবিউরের নাম অর্ন্তভুক্ত করে ২২তম সিন্ডিকেটে পাস করা হয়। ২৩তম সিন্ডিকেটে তাবিউরের নিয়োগটি বাতিল করা সত্ত্বেও আবার জালিয়াতি করে তার নামটি নিয়োগের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। অথচ বাছাইবোর্ড অনুযায়ী ওই তালিকায় প্রথম মাহামুদুল হকের নিয়োগ পাওয়ার কথা ওই সময় থেকেই।

বিশ^বিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনটি রিসিভি না হওয়ায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক তাবিউর রহমান প্রধানের সাথে মুঠো ফোনে

কথা হলে তিনি বলেন, সামনে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন কে প্রবাহিত করার জন্য এসব পায়তারা চালাচ্ছে তারা। আসলে এগুলো কিছুই না। মাহামুদুল হক হাইকোটের রায়ে ১০ মার্চ ২০১৯ ওই বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এবিষয়ে মাহামুদুল হক এর প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিবেদকের সাথে কথা তিনি বলেন,যেহেতু হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী ২০১২ সালের বাছাই বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি সেহেতু উপাচার্য ও রেজিস্টারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল এখনো বলবৎ আছে। নোটিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে আদালত অবমাননার মামলায় তাদের আদালতে হাজির করার আবেদন করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib