শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা আদালতের সামনে মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি! জিনিয়া আক্তার সুইটি দিনাজপুর পৌরসভার ১ ঘন্টার প্রতিকী মেয়রের দায়িত্ব পালন করলেন বাগেরহাটে তরুনী ধর্ষন মামলাঃ ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের দুই দিনের রিমান্ড জবিতে ‘বাংলাদেশের উপন্যাসে দেশভাগ ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা’ শিরোনামে পিএইচ.ডি সেমিনার অনুষ্ঠিত ত্রিশালে মায়ের হাতে শিশু খুন ফ্রান্সে মহানবীর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ নীলফামারী সদর ৫ নং টুপামারীর ইউনিয়ন পরিষদে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ। তারাগঞ্জে গরুবাহী নসিমনের নিচে চাপা পড়ে নিহত একজন আউচপাড়া ইউনিয়নের হাড়িপাড়া বিল,ব্যক্তি মালিকানা জমি লিজের মাধ্যমে এলাকাবাসীর মাছ চাষ জবির পরিবহন পুলে নতুন দুইটি এসি মাইক্রোবাস

বেনাপোল কাস্টমস হাউসে পরীক্ষণ ও শুল্কায়নে নানাবিধ হয়রানির প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম কার্যক্রম বন্ধ

আহম্মদ আলী শাহিন, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৫ Time View

বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃক শুল্কায়ন ও পন্য পরীক্ষনে নানা বিধ হয়রানির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশন। শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সরকার।

স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে কোন কাজ করার পরিবেশ নেই। শুল্কায়ন গ্রæপের সুপারেনটেনডেন্টরা মনে যা খুশি তাই করতে চাই। আমদানিকৃত পণ্যের একটি ফাইল গ্রæপে নিয়ে গেলে তারা ইচ্ছামত এইচএস কোড এবং ভ্যালু পরিবর্তন করতে চাই। তারা পূর্বের কোন এইচএস কোড বা পূর্বের কোন রেফারেন্স মূল্য,ডাটাশিট মূল্য মানতে চায় না। তারা জোর করে ১০% এর মাল ২৫ পার্সেন্ট এ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ধরনের সমস্যা গুলো বেশি হচ্ছ বেনাপোল কাস্টমস এর ৩ নম্বর শুল্কায়ন গ্রæপ এবং ৪ নম্বর শুল্কায়ন গ্রæপে। এই দুই গ্রæপে কর্মরত দুই কাস্টমস অফিসার ব্যবসায়ীদের নানাভাবে হয়রানি করে থাকেন। এদিকে বেনাপোল কাস্টমস এর একটি পরীক্ষন গ্রæপ ইনভেস্টিগেশন রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইআরএম) কর্তৃক পণ্য পরীক্ষা নিয়ে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমদানিকৃত একই পণ্য এখন ৩ বার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। তিনবার আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষণ করার কারণে তিনবার লেবার খরচ দিতে হচ্ছে। এতে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই পন্য বারবার পরীক্ষণ করার কারণে সময় লেগে যাচ্ছে কয়েক দিন।একটি পণ্য পরীক্ষণ করে তার রিপোর্ট নিতে এখন সময় লাগছে ৭ থেকে ১০ দিন ।অনেক সময় ১৫ দিনও সময় লেগে যাচ্ছে । এসব কারনে আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে পন্য আমদানি করতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

বেনাপোলে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা জানান, কাস্টমস অফিসার কর্তৃক পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছি। এর একটা সুরাহা হওয়া উচিত। তারা কোনো এইচএস কোড ও রেফারেন্স বা ডাটাশিট মূল্য মানতে চান না।কাস্টমসের আইনে বলে ডাটা শিটে সর্ব নি¤œ মূল্যে আমদানিকৃত পণ্য শুল্ককায়ন করার কথা থাকলেও কাস্টমস অফিসারা সেটা মানেন না। তারা সব সময় উচ্চতর মূল্যে শুল্কায়ন করতে চাই। বাংলাদেশের সকল কাস্টমস হাউসে ডাটাশিট মূল্য মানলেও ব্যতিক্রম শুধু বেনাপোল কাস্টমস হাউসে। বেনাপোলে মিনিমাম মূল্য , ডাটাশিট মূল্য বা রেফারেন্স মূল্য মানা হয়না। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা রাজস্ব টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে ইচ্ছামত পন্যের শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণ করেন। ইচ্ছামত আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করায় আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে হয়রানির কোন শেষ নাই। মাল ঢুকা থেকে শুরু করে পরীক্ষণ ও শুল্কায়নে নানাবিধ ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। আমদানিকৃত একই পণ্য ৩ বার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। তাছাড়া শুল্কায়নে হচ্ছে নানা জটিলতা। তাই বেনাপোলের ব্যবসায়ীরা কাস্টমস কর্তৃক নানাবিধ ও হয়রানির প্রতিবাদে পরীক্ষন সহ বেনাপোল কাস্টমস এর কয়েকটি গ্রæপে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন। শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে সরকার রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কাস্টমস অফিসার কর্তৃক এসব হয়রানি মূলক কার্যক্রম বন্ধ না হলে আগামীতে এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib