শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বিসিক শিল্প এলাকার পিটি কনজুমার প্রোডাক্টস কারখানায় শ্রমিকের মৃত্যু গাজীপুরে ডিবি পরিচয়ে দুই ছিনতাইকারী আটক রংপুরে মসজিদের টাকা আদায় নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আটক ৪ করোনায় মারা গেলেন বিসিবির সাবেক পরিচালক এম এ গফুর জবির ন্যাচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বৃত্তি পাবে জবির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা বানারীপাড়ায় মাদক মামলার ২ বছরের সাজা প্রাপ্ত আসামী রাজু গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে খামারীদের উৎপাদিত দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপনন সচল রাখতে ন্যায্যমূল্যে বিক্রয় কার্যক্রম লকডাউনে চলছে চোর- পুলিশ খেলা! বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা: সময় বাড়লো প্রাথমিক আবেদনের, কমলো গ্রেডিং

বেনাপোলে রাসায়নিক বা খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষাগার না থাকায় আমদানীকৃত পন্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১
  • ৮ Time View

বেনাপোল দেশের সর্ববৃহত্তম স্থলবন্দর। এখানে নেই রাসায়নিক বা খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষা করার মতো কোন পরীক্ষাগার। এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জারিকৃত আমদানিনীতিতে শর্ত আরোপ করায় আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্য শুল্কায়ন ও খালাসে দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে এসব পন্য আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি করা খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষার জন্য বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডাস অ্যান্ড টেস্টিং ইহ্নটিটিউশন) অথবা বিসিএসআইআর (বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের কোন শাখা স্থাপন হয়নি। যার ফলে ভারত থেকে আমদানিকরা খাদ্যদ্রব্যের মান পরীক্ষায় কালক্ষেপণ হচ্ছে। আর সময় মতো মালামাল খালাস নিতে না পারায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন আমদানিকারকরা। বেনোপোল থেকে কোলকাতার দুরত্ব কম হওয়ায় আমদানী কারকরা এ বন্দর দিয়ে পন্য আমদানী করতে আগ্রহ। ঔষুধের কাচামাল, শিশু খাদ্র, চকলেট, বিস্কুট, প্রশাধন সামগ্রী, সহ নানা রকমের ক্যামিক্যাল জাতীয় পন্য বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানী হয়ে থাকে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মফিজুর রহমান সজন জানান,শর্তসাপেক্ষে আমদানী করা একটি পন্য চালান বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছালে তার নমুনা সংগ্রহ করে বিসিএসআইআর বা বিএসটিআই-এর ল্যাবে পাঠানোর নির্দেশ দেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগে। নমুনা পরীক্ষাও বেশ ব্যয়বহুল। অনেক সময় দেখা গেছে, মালের দাম ও শুল্কের পরিমাণের চেয়েও অনেক ক্ষেত্রে নমুনা পরীক্ষার খরচ বেশি হয়ে যায়। তাছাড়া বিএসটিআই তাদের নির্ধারিত ১৫৫টি পণ্যের বাইরে অন্য কোন পণ্যের নমুনা পরীক্ষা করতে চায় না। ফলে বৈধভাবে আমদানি করা একটি খাদ্যপণ্যের নমুনা টেস্ট রিপোর্টের অপেক্ষায় ২০ থেকে ২৫ দিন থাকতে হয়। পরীক্ষার রিপোর্ট না আসায় অনেক সময় এক মাস পর্যন্ত বন্দরে পড়ে থাকে বন্দরের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকলে পন্যের গুনগত মান হয়। খাদ্যদ্রব্য আমদানিতে বাধাগ্রস্থ হওয়ায় প্রভাব পড়ছে ভোক্তাদের উপর। এ জন্য ব্যবসায়ীদের স্বার্থে বেনাপোল বন্দরে অতিবিলম্বে বিএসটিআই এবং বিসিএসআইআর এর শাখা স্থাপন করা প্রয়োজন।
বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজীজুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমস হাউজ খাদ্যে নিরাপত্তার স্বার্থে আমদানীকৃত বিধি মোতাবেক এগুলো পরীক্ষনের জন্য বিএসটিআই, বা বিসিএসআইআর, বুয়েট সহ বিভিন্ন স্বীকৃত পরীক্ষন সংস্থায় পাঠানো হয়। পরীক্ষনের জন্য অনেক দিন সময় লাগার কারনে পচনশীল পন্য গুলোর গুনগত মান নষ্ট হয়ে থাকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যাতে বিএসটিআই বা বিসিএসআইআর এর শাখা প্রতিষ্ঠান এখানে স্থাপন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib