সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
রংপুর বিভাগে মোট করোনায় আক্রান্ত দাঁড়ালো ১৬ হাজার ৮শ’ ৬০ জন নতুন আক্রান্ত ৬৩ জন কলারোয়ায় ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই নারী ও এক পুরুষসহ আটক-৩ কক্সবাজারে র‍্যাবের পৃথক অভিযানে ইয়াবা নিয়ে রোহিঙ্গাসহ আটক ৩ জামালপুরে আলুবীজের দাম বাড়ানোর দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বর্তমান সরকার কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে কাজ করছে- হুইপ ইকবালুর রহিম ইডেন মহিলা কলেজে বাংলাদেশ হিউম্যান হেল্পিং সোসাইটি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠিত বানারীপাড়া সৈয়দকাঠী’র নলশ্রীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারির অভিযোগ পাওয়া গেছে। নীলফামারীতে একই কলেজের ৪০জন শিক্ষার্থী পেয়েছে মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ, আর্থিক সংকটের কারণে কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি হতে খাচ্ছে হিমসীম গাজীপুর অজ্ঞাত পরিচয়ে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার জীবিত ব্যক্তি ভোটার তালিকায় মৃত!

“বাগেরহাটে প্রচন্ড তাপদাহে ফলন্ত ধানগুলো চিটা হয়ে গেলো”

বাগেরহাট প্রতিনিধি:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬ Time View

হঠাৎ ঝড় ও অতিরিক্ত তাপমাত্রায় বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।দূর থেকে ধানগাছগুলোকে স্বাভাবিক মনে হলেও ছড়ায় থাকা ধানগুলো চিটে হয়ে গেছে।বাতাসে তোরে কিছু ক্ষেতের ধান মাটির সাথে মিশে গেছে। গত রবিবার (৪ এপ্রিল) রাতে হঠাৎ ঝড়ো বাতাসে কৃষকদের ক্ষেতের ধানের এই ক্ষতি হয়। ফলন্ত ধানের এমন ক্ষতিতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা। করোনা পরিস্থিতিতে ধারদেনা করা টাকায় উৎপাদিত ফসলের এমন ক্ষতিতে নিস্ব হয়ে পড়েছেন অনেক কৃষক। কৃষি বিভাগ বলছে, ফের বড় ধরণের ঝড় বৃষ্টি ও অতিরিক্ত তাপমাত্রা না হলে কৃষকরা অনেকটাই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।আমরা কৃষকদের নানা পরামর্শ দিয়ে আসছি।
বুধবার সকালে চিতলমারী উপজেলার শ্রীরামপুর বিলে সরেজমিনে বোরো ধানের জমিতে গেলে দেখা যায় কৃষকের স্বপ্ন ভেস্তে গেছে। চোখ যেদিকেই যায় শুধু মাঠভরা সোনালী ধান। কিন্তু কাছে গিয়ে দেখা গেলো চিত্রটা উল্টো। মাঠভরা ধানে শীষগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে।ঝড়ের পরে প্রচন্ড তাপদাহে ফলন্ত ধানগুলো চিটা হয়ে গেছে।
সেখানে কথা হয় কৃষক লোপা মন্ডলের সাথে। তিনি বলেন, নগদ-বান্দায় জমি রেখে ধান লাগিয়ে ছিলাম। কিন্তু কয়েক মিনিটের ঝড়ে ধানগুলো নষ্ট হয়ে গেল। ধানের কাছে আসলে চোখ থেকে শুধু জল বের হয়।কিভাবে চলব এখন।সংসারে ৬ জন লোক প্রতিদিন কাজ না করলে পেটে ভাত জোটে না। শুধু তো আমার নয়, এলাকার অনেকেই এই অবস্থা। কি যে হবে ভগমানই জানে’।
এছাড়া ধান লাগানো কৃষক রত্না বৈরাগী, সাথী মন্ডল, রনজিত কুমার বলেন,খুব আশা করে ধান রোপন করেছিলাম।এক মাসের মধ্যেই ধান কেটে ঘরে তুলতে পারতাম। কিন্তু এখন ধানের যে ক্ষতি হয়ে গেল, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। ঝড়ের পরে ধানের কাছে এসে কানতে কানতে বাড়ি চলে যাই। ধানের মধ্যে সব চিটা, ধানে কিছু নেই।
চিতলমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ নিজাম উদ্দিন বলেন,আমাদের এলাকার মানুষের জীবন জীবিক ধান ও সবজির উপর নির্বাহ করে।মহামারি করোনার কারনে এমনিতেই মানুষ নানা সংকটে রয়েছে। এরই মধ্যে হঠাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেক কৃষকের ধানে ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের যাতে সরকার সহায়তা করে সেই দাবী জানাচ্ছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় ৫৫ হাজার ৫‘শ ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ঝড়ো বাতাসে এবং হিট স্ট্রেজের ফলে বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় ৪‘শ৪২ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে সব থেকে চিতলমারী উপজেলায় সব থেকে বেশি ২‘শ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমরা চাষীদেরকে পরিমিত চেষ প্রদান ও যৌক্তিক পটাশ সারের স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib