রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
বানারীপাড়া ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আবুল কালামকে গ্রেপ্তার মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সদরে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে জমি ও গৃহ প্রদান লক্ষ্মীপুরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় সিএনজি চালক নিহত নোয়াখালী সুবর্ণচরে ভূমিহীন, গৃহহীন পরিবারের মাঝে ভূমি ও ঘর প্রদান রাজশাহী বাগমারায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি ঘৌড়াদৌড় প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত চাকুরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীকে বই শুভেচ্ছা উপহার দিলেন এসপি জাহিদুল ইসলাম মির্জাগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর গৃহপ্রদান কার্যক্রম উদ্বোধনে উপভোগ অনুষ্ঠান সাতক্ষীরায় ১১৪৮ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেলো প্রধানমন্ত্রীর পাকা ঘর পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন দেশের কোন মানুষ গৃহহীন থাকবে না – হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি

বাগেরহাটে আম্পানের আঘাতে সুপারির মঞ্জুরি ঝরে পড়ায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার কম

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৬৬ Time View

চলতি বছরের মে মাসে বাগেরহাটসহ উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে সুপার সাইক্লুন আম্পান। ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাগেরহাট জেলা। ভেসে যায় চিংড়ি ঘের, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফসলি জমি। এ ঝড়ের আঘাত থেকে রক্ষা পায়নি সুপারির গাছে আসা ফুলও (স্থানীয় ভাষায় মঞ্জুরি)। বাতাসে অধিকাংশ সুপারি গাছের ফুল ঝরে যাওয়ায় এবার উৎপাদন কম হয়েছে।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, এবার বাগেরহাট কচুয়া উপজেলায় ১ হাজার ২১০ হেক্টর সুপারি বাগান রয়েছে। এ থেকে ৪ হাজার ১১৪ টন সুপারি উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার কচুয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ বাগানে সুপারির চাষ হয়। স্থানীয় বাজারে সপ্তাহে দুদিন (সোম ও বৃহস্পতিবার) সুপারি বিক্রি হয়। কিন্তু আম্পানের কারণে এবার সুপারির ফলন কমেছে। যদিও গত বছরের তুলনায় এবার বাজারে সুপারির ভালো দাম পাচ্ছেন চাষীরা।

সুপারিচাষীরা বলছেন, আম্পানের আঘাতে অধিকাংশ গাছের ফুল ঝরে যায়। তার ওপর তালেশ্বর সøুইস গেট থেকে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করায় সুপারির ফলন আরো ব্যাহত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার সুপারির হাটে প্রত্যেক সোম ও বৃহস্পতিবার কোটি টাকার সুপারি কেনাবেচা হয়। বাজার থেকে সুপারি কিনতে দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকাররা ভিড় করেন। ভোর থেকেই হাট জমে উঠে চলে বিকাল পর্যন্ত। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে পাইকারি ব্যবসায়ীরা এ সুপারি দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মোকামে পাঠান। গত বছরের তুলনায় ফলন কম হলেও কুড়িতে (২৩১টি) ২০০-৩০০ টাকা দাম বেড়েছে।

টেংরাখালী গ্রামের কৃষক সমীর বৈরাগী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও লবণাক্ততার কারণে উৎপাদন কমেছে। এবার যখন সুপারি গাছে মঞ্জুরি (ফুল) আসে, তখন আম্পান ঘূর্ণিঝড়ে অনেক পড়ে যায়। ফলে উৎপাদন কম হয়েছে।

আবুল কালাম নামের অন্য এক কৃষক বলেন, আমাদের এলাকা ছিল মিষ্টি পানির। এ কারণে সুপারির ফলন ভালো হতো। বর্তমানে খালগুলে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ত পানি প্রবেশ করায় সুপারির উৎপাদন কমেছে। তার পরও এবার সুপারি কম উৎপাদন হলেও গত বছরের তুলনায় ২০০-৩০০ টাকা বেশি দাম পাচ্ছি কুড়িতে।

কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান বলেন, আমাদের কচুয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি সুপারি উৎপাদন হয়। এ সুপারি উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলায় বিক্রি করা হয়। এ এলাকার প্রত্যেকটা পরিবারের সুপারির গাছ রয়েছে।

কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. লাভলী খাতুন বলেন, কচুয়া উপজেলায় ১৮ হাজার কৃষক সুপারির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এবার ঝড় ও লবণাক্ততার কারণে সুপারির উৎপাদন কমেছে। তবে যদি কচুয়া উপজেলার সীমান্তে তালেশ্বর সøুইস গেট থেকে লবণাক্ত পানি প্রবেশ বন্ধ করা যায় তাহলে সুপারির উৎপাদন বাড়বে।বাগেরহাটে আম্পানের আঘাতে সুপারির মঞ্জুরি

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib