সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ

পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদেরকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলা হয়েছে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২ মে, ২০২০
  • ১৩০ Time View

মোঃ সাইফুদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

অর্থনীতিতে মন্দাভাব ও বেকারত্ব কাটিয়ে উঠতে  শ্রম মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য বিধি মেনে পোশাক ও শিল্প কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেয় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইতে।

প্রশ্ন হচ্ছে, কোনো ধরনের স্বাস্থ্য পরিকল্পনা ছাড়াই লগডাউন ভেঙ্গে ব্যবসা-বানিজ্য, গার্মেন্টস ও শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া কতটা যৌক্তিক?

International Labour Organisation (ILO/আইএলও) থেকেও বিবৃতি দেওয়া হয়েছে যে বাংলাদেশে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদেরকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলা হয়েছে।

চট্টগ্রামে সংক্রমণ শুরুর পর স্বাস্থ্য বিভাগ-মেট্রোপলিটন পুলিশ আক্রান্ত এলাকা লকডাউন করে এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইসোলেশনে পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে। খেয়াল করলেই দেখবেন, এ কারণে নির্দিষ্ট কিছু এলাকা ছাড়া নগরের অন্যান্য এলাকাগুলো সুরক্ষিত ছিল।

কিন্তু এখন ইপিজেডসহ পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার পর শ্রমিকরা যে হারে আসা-যাওয়া করছেন, তাতে ভাইরাসের কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং করে সম্ভাব্য রোগীদের শনাক্তের কোনো পথ রইল না। এদের মাঝে কোনোভাবে একজন আক্রান্ত হলেই রোগটা ছড়িয়ে যাবে সারা শহরে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে এলাকাভেদে ধাপে ধাপে সীমিত পরিসরে পোশাক কারখানা চালুর পরিকল্পনা থাকলেও সেটি রক্ষা করা যায়নি। দূরদূরান্তের শ্রমিকদের আপাতত কর্মস্থলে আসতে নিষেধ করা হলেও তাঁরা শিল্পাঞ্চলে ফিরছেন। ফলে নতুন করে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকছেই।

বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নির্দেশনা অনুযায়ী অনেক কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালু করেছে।  এসব কারখানায় পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত হচ্ছে না।

বিজিএমইএ সদস্য কারখানাগুলোর জন্য একটি গাইডলাইন তৈরি করে সেটি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে। তাতে কারখানায় প্রবেশের সময় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, কর্মীদের জুতায় জীবাণুনাশক স্প্রে ও শরীরের তাপমাত্রা মাপতে থার্মোমিটার ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া কারখানার ভেতরে কর্মীদের পরস্পরের কাছ থেকে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা, প্রতিবার টয়লেট ব্যবহারের পর তা জীবাণুমুক্ত করা, প্রতিদিন মেশিন জীবাণুমুক্ত করা, খাবারের সময় শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিতের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধাপে ধাপে সীমিত পরিসরে কারখানা খোলার বিষয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর পরিকল্পনা মোটামুটি ভালো ছিল। বাস্তবে সেটি অনুসরণ হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib