বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
কুয়াকাটার সৈকতে আবারও মৃত ডলফিন -মাটি চাপা দিলো পৌর পরিছন্ন কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ উপহার পেয়ে বয়োবৃদ্ধ আমজেদ ঘরামী বলেন “শেখের মাইয়া শেখ হাসিনারে আল্লাহ যেন হারা জনম ক্ষমতায় রাহে” চুরির এক দিন পরে চুরি হওয়া গাড়ীসহ চোর গ্রেফতার ওয়াজেদ মিয়ার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের ইফতার বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ উপহার পেল আমতলী পৌরসভার ৪৬২১টি পরিবার তারাগঞ্জে উপজেলা প্রেসক্লাবের সভা ও ইফতার অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে কর্মহীন পেশাজীবীরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার তরুণ নির্মাতা সায়াদ মামুর কাব্য নির্মিত ওভিসি ‘দাফন’ এবং ‘ইফতার’ দর্শক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে রংপুরে ১১ দিন ধরে অবরুদ্ধ ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠি পরিবার মহাদেবপুরে বিএসডিও’র নির্বাহী পরিচালকের নির্দেশে মন্দির চত্বরে গরু জবাই: সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ
সিলেট বিভাগের সকল জেলায় জেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহীগন যোগাযোগ করুন somoysongjog24@gmail.com

নীলফামারীতে মায়ের বদলে কাজে গিয়ে লাঞ্চিত ছেলে

মোঃসোহেল রানা,নীলফামারী
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫১ Time View
নীলফামারী সদরের চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের খামাতপাড়ায় চলছে ৪০দিনের মাটি কাটা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি। কর্মসূচির ১৮জন শ্রমিকের মধ্যে পুশুনাথের স্ত্রী মায়া রানী একজন দুঃস্থ শ্রমিক। দৈনন্দিন কাজেই তার রুটি রুজি। গতকাল শনিবার অসুস্থ থাকায় কাজে পাঠায় ছেলে রিপনকে। আর সেদিনেই দুপুরে কাজের পরিদর্শনে যায় নীলফামারী সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ। মায়ের অসুস্থতার কথা সরল মনে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বলতে গিয়ে লাঞ্চিত হয় ছেলে রিপন। এমনকি বাকি সব শ্রমিকের সামনেই গলা ধাক্কা দিয়ে লাত্তি মারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। হঠাৎ এরকম দৃশ্য দেখে হতভাগ হয়ে পড়ে বাকী শ্রমিকরা।
বিষয়টি সম্পর্কে ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার দেওয়ানত আলী বলেন, গেল শনিবার অসুস্থ মায়ের বদলে কাজে আসে মায়া রানীর ছেলে রিপন। কিন্তু সেদিনে পরিদর্শনে এসে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাকে সবার সামনে গলা ধাক্কা দিয়ে লাত্তি মারে। শ্রমিককে অনুপস্থিত পাওয়া  গেলে তার হাজিরা বা শ্রমিক বাতিল করার ক্ষমতা রাখে একজন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। কিন্তু লাঞ্চিত করার অধিকার তার নাই। ঘটনাটির জন্য তীব্র নিন্দা জানাই।
নীলফামারী সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলেন, কোদাল আর ডালি নিয়ে না আসায় তাকে মেরেছি। যারা সরকারের টাকা খাবে কিন্তু কাজ করবে না। তাদেরকে দেখলে আমার এমনিতে মাথা গরম হয়ে যায়। সেই রাগে ধাক্কা দিয়েছি।
একজন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শ্রমিকের গাঁয়ে হাত তুলতে পারবে কিনা জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলিনা আক্তার বলেন, কোন কর্মকর্তার শ্রমিকদের গাঁয়ে হাত তোলার বিধান নাই। নিয়ম অনুযায়ী সে হয় তোবা সেই কর্মচারীকে বাতিল ঘোষনা করতে পারতো বা সেদিনের হাজিরা কেটে দিতে পারতো। আসলে এ ধরনের ঘটনা নিন্দা জনক। তবে আমার কাছে এ যাবত কোন অভিযোগ আসে নাই। আভিযোগ আসলে ঐ কর্মকর্তার আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib