মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ১২:২৩ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
চিতলমারীতে দখলকারীদের হামলায় চার নারীসহ আহত-৭ চুয়াডাঙ্গা সদরে মোটরসাইকেল – আলমসাধু মুখোমুখি সংঘর্ঘে নিহত ২ বাগমারা হাটগাঙ্গোপাড়া মডেল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ইনর্চাজ(ওসি)মোঃমোস্তাক আহমেদর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বানারীপাড়ায় মাছ বিক্রেতা ও মাদক ব্যবসায়ী সত্যকে ১৮০ পিচ ইয়াবা সহ আটক কেশরহাটে পৌর বিএনপির প্রার্থী প্রভাষক খুশবর রহমানের প্রচারণা নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়ক উন্নয়নে ভূমি অধিগ্রহনের ১ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার চেক বিতরণ এশিয়ান টেলিভিশনের ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষীকি পালিত যমুনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ড্রেজার ধ্বংস খাদ্যের নিরাপত্তা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন হস্তান্তর!

নওগাঁর আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের সংকটে দিশেহারা খামারী ও কৃষকরা

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৮ Time View

চলতি বছরে পর পর দুই-দুইবার ভয়াবহ বন্যায় আত্রাই উপজেলার কোন মাঠে আমন ধান না হওয়ার কারনে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উচ্চমূল্য দিয়ে খড় কিনে গো-খাদ্যের চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে।এতে করে হাজার হাজার গো-খামারি ও কৃষক দিশেহারা ও হিমশিস খাচ্ছে। আবার অনেকে গো-খাদ্য সংকটের কারণে ঘরু মহিষও ছাগল স্বল্প মূল্যে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।জানা যায়, চলতি বছরে পর পর দুই-দুইবার ভয়াবহ বন্যায় আত্রাইয়ের কোন মাঠে আমন ধানের চাষ হয়নি।অন্যবার উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রায় সাত হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হতো।এর মধ্যে মনিয়ারী, ভোঁপাড়া,সাহাগোলা ইউনিয়নে সর্বাধিক পরিমান জমিতে আমন ধানের চায় করা হয়। আর এসক ধানের খড় এলাকার গো-খাদ্যের চাহিদা মিটিয়েদেশের অন্যান্য জেলায় এ খড়গুলো বিক্রি করা হতো। কিন্তু এবারের ভয়াবহ বন্যায় আমন ধানের চাষ না হওয়ায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।ফলে জেলার যেসব থানায় আমন ধানের চাষ হয়েছে ওই সব এলাকা থেকে উচ্চমূল্য দিয়ে খড় কিনতে হচ্ছে কৃষক ও গো-খামারীদের। প্রতিদিন সেই কাকডাকা ভোরেই ভ্যানযোগে গো-খাদ্য নিয়ে হাজির হচ্ছে উপজেলার সদরের সাহেবগঞ্জ ব্রীজে।আর আসা মুহুতেই এ গো-খাদ্য খড়এগুলো বিক্রি হয়ে যায় খামারী ও কৃষকদের কাছে।ভ্যানযোগে আত্রাইয়ে খড় বিক্রি করতে আসা রাণীনগরের রাতোয়াল গ্রামের আনোয়ার হোসেনও টংশিয়ালা আব্দুল জলিল বলেন,আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এজন্য আমরা প্রতিদিন সকালে খড় বোঝাই ভ্রান নিয়ে এখানে আসি।রানীনগরে আমন ধানের চাষ হওয়ায় সেখানে পর্যাপ্ত পরিমান খড় পাওয়া যাচ্ছে।আমরা ওই সব এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে খড় কিনে এখানে নিয়ে আসি। প্রতিভ্রান খড় ২০০০ হাজার থেকে২২০০টাকায় বিক্রি হয়। উপজেলা সাহেবগঞ্জ গ্রামের বিশু দেওয়ান বলেন, আমন ধানের খড়ের উপর ভরসা করে আমরা ইরি-বোরো ধানের খড় ওই সময়বিক্রি করে দিয়েছি। কিন্তু আমাদের সকল ভরসা ম্লান হয়ে গেছেএবারে দুই-দুইবারের ভয়াবহ বন্যায়।না পেলাম ধান, না পেলাম খড়। জামগ্রামের কৃষক সিরাজ বলেন, যে খড় আগে কিনতাম বা ক্রয় করতাম ৫শ টাকা সেই খড় এবার কিনতে হচ্ছে ২৫শ টাকায়। সাহেব গঞ্জ গ্রামের খামারী আলহাজ মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমার খামারে ১২/১৩ টি গরু ছিল গো খাদ্যের অভাবে ৭টি গরু খুব কম দামে বিক্রয় করতে বাধ্য হয়েছি। বর্তমানে ৫টি গাভী ৩ টি বাছুর আছে আমার খামারে গো-খাদ্যের অভাবে এবং অধিক মূল্যে খড় কিনে গরু পালন সম্ভব নয় ।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib