মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
দিনাজপুরে নতুন করে ২৭ জন করোনা শনাক্ত কঠোর লকডাউনে সচল থাকবে হিলি স্থলবন্দর বানারীপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ দুধ ডিম মাংস বিক্রয় কার্যক্রম শুরু আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব ওবামা শান্তি পুরস্কার ২০২১ পেয়েছেন তালতলীর সন্তান এমএ মুনঈম সাগর নীলফামারীতে মায়ের বদলে কাজে গিয়ে লাঞ্চিত ছেলে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলতাফ মাষ্টার ও সাজু মোল্লার ঘাটে ছোট ইলিশের বড় চালান জব্দ টাংগাইলের ভূঞাপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সুবর্ণচরের বিএমএসএফ এর উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান পিরোজপুরে বাবুই পাখির বাসা ভাঙ্গা ও ছানা নিধনের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে তিনজনকে কারাদন্ড বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বাগেরহাটে দোয়া

দীর্ঘ আড়াই মাস পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বানিজ্য শুরু হয়েছে

আহম্মদ আলী শাহিন, যশোর প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ৭ জুন, ২০২০
  • ২০২ Time View

করোনা ভাইরাসের কারনে বেনাপোল বন্দর দিয়ে দীর্ঘ আড়াই মাস আমদানী রফতানী বানিজ্য বন্ধ থাকার পরে আজ রোববার ৪ টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেনাপোল বন্দর দিয়ে পুনরায় দু দেশের মধ্যে আমদানী বানিজ্য শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বৃহষ্পতিবার দু‘দেশের প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে এক বৈঠকের পর বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আজ বিকাল থেকে দু দেশের মধ্যে আমদানী বানিজ্য শুরু হলো। আমদানী বানিজ্য শুরু হওয়ায় দু’দেশের বন্দর এলাকায় প্রান চানচল্যতা ফিরে এসেছে। আজ এ বন্দর দিয়ে ২৪ টি পন্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করবে।
করোনাভাইরাসের কারণে গত ২৩ মার্চ থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দু‘দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গত ২৪ এপ্রিল আমদানি-রপ্তানি চালুর অনুমোদন থাকলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুমতি না থাকায় দীর্ঘদিন সড়কপথে বন্ধ ছিল ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্য।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে স্থলবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শুরুর অনুমতি দেয়ার অনুরোধ করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। এছাড়াও বনগঁার সিন্ডিকেটের কারণেও বাণিজ্যে জটিলতা দেখা দেয়। পরে রেলওয়ের মাধ্যমে পণ্য আমদানির অনুমতি দেয়ায় স্থলপথে আমদানি-রপ্তানির ওপর চাপ সৃষ্টি করে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর এলাকার শ্রমিকসহ ট্রাক মালিক ও চালকরা। বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি করে বৈঠকে বসে আমদানি-রপ্তানি চালু করতে রাজি হয় ভারতের প্রশাসনসহ বনগঁা সিন্ডিকেট।

করোনার সংক্রমণ নিয়ে আশঙ্কা থাকায় সীমান্ত অতিক্রমের আগেই গাড়ি চালকদের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করা হচ্ছে। এছাড়াও ট্রাকগুলো উভয় দেশে স্যানিটাইজ করে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে। ফেরার সময়ও চালকদের শারীরিক পরীক্ষা করা হবে বলে ওপার সুত্রে জানা গেছে। সেই সাথে দ্রুত পণ্য খালাস করে দিনে দিনে ট্রাকগুলো ফিরে যাবে।
প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৮০ হাজার মে. টন পণ্য আমদানি হচ্ছে। যা থেকে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। আমদানি পণ্যের মধ্যে গার্মেন্টস সামগ্রী, তৈরি পোশাক, শিল্পকারখানা ও ওষুধ শিল্পের কঁাচামাল, শিল্প প্রতিষ্ঠানের মূলধনী যন্ত্রপাতি, কেমিক্যাল, খাদ্যদ্রব্য, চাল, পিয়াজ, তুলা, বাস, ট্রাক ট্যাসিস, মটর সাইকেল এবং পার্টস ও টায়ার রয়েছে। রফতানি পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য, সাদা মাছ, ব্যাটারি, ওভেন গামেন্টস, নিটেড গামেন্টস, নিটেড ফেব্রিকস, কর্টন র‍্যাগস (বর্জ কাপড়) উল্লেখযোগ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib