বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
অতিবর্ষণে আমতলীর জন-জীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে তলিয়ে গেছে রোপা আমন ধানের তেসহ মাছের ঘের, পুকুর ও পানের বরজ কলারোয়ায় গ্রীষ্মকালীন টমেটো ও মাঠ দিবসে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। রংপুরে নারী সুরক্ষা বাস্তবায়ন পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত নারী নির্যাত‌নের বিরু‌দ্ধে জনস‌চেতনতা বৃদ্ধিতে ফেস্টুন ও বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচী‌ পালিত কচুয়ায় নারী জনপ্রতিনিধিদের পরিকল্পনা ও বাজেট বিষয়ক প্রশিক্ষণ বাগেরহাটে নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত বাগেরহাটে ভোর থেকে বিরামহীন বৃষ্টি, বিপর্যস্ত জন জীবন নোয়াখালী সুবর্ণচরে ৫ টুকরো করে হত্যার রহস্য উদঘাটন,ছেলেসহ আটক ৫ আজ থেকে টানা ৬ দিন বন্ধ থাকছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ মাধবপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার

তালতলী কালচারাল একাডেমীর বেহাল দশা হারিয়ে যাচ্ছে রাখাইন সংস্কৃতি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৯
  • ৬০ Time View

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

আদিবাসী রাখাইন সংস্কৃতি চর্চার জন্য কালচারাল একাডেমি ভবন না থাকায় সাংস্কৃতিক চর্চার হারিয়ে যাচ্ছে তাদের দুইশ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। কয়েক যুগ আগে রাখাইনদের সংস্কৃতি চর্চার জন্য কালচারাল একাডেমী নামে একটি ভবন নির্মাণ করে দেয় সরকার। সেই কালচারাল একাডেমীর এখন বেহাল দশা। রাখাইনরা বলছে সংস্কৃতি চর্চার জায়গা না থাকলে হারিয়ে যাবে তাদের এই সংস্কৃতি। আর প্রশাসন বলছে দ্রুত সংস্কার করে রাখাইনরা তাদের সংস্কৃতি চর্চার জায়গা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

স্থানীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে বরগুনা জেলায় ১৩টি পাড়ায় প্রায় ৬ শতাধিক রাখাইন পরিবার রয়েছে। এদের একমাত্র সংস্কৃতি চর্চার জায়গা ছিলো এই কালচারাল ভবনটি প্রায় ৩ যুগ আগে রাখাইনদের সংস্কৃতি চর্চার জন্য তালতলী উপজেলার রাখাইন পাড়ায় একতলা একটি ভবন নির্মাণ করেছিল তৎকালীন সরকার। তবে ভবনটি নির্মাণ করায় স্বল্প সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় এটি। এদিকে রাখাইন সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি চর্চার জন্য একমাত্র এই ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ার পর ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে রাখাইন সম্প্রদায়ের দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন। তবে ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের পর নতুন ভবনের কাজ শুরু হয়নি ৯ বছরেও।

তালতলী রাখাইন পাড়ার ওয়েং,ওমেংচো,খেমং সহ অনেকে জানান, ভবনের পাশাপাশি তাদের সংস্কৃতি চর্চার জন্য শিক্ষক ও যে সকল সরঞ্জাম দরকার তার কিছুই নেই এখানে। ফলে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম যারা আসবে তারা কেউই তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সাধারণ ধারণাও থাকবে না। রাখাইন শিক্ষকের অভাব, পাঠ্যপুস্তকের সংকট এবং সরকারি উদ্যোগ না থাকায় রাখাইন ভাষার চর্চা থেমে গেছে। এর ফলে রাখাইনদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সংগীত ও নৃত্য হারিয়ে যেতে বসেছে।
রাখাইনদের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাংচিন থান বলেন আমরা সংখ্যালঘু হওয়ায় তাদেরকে অবহেলা করছে সবাই। দীর্ঘদিন ধরে একটি ভবনের জন্য রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার কাছে ধরনা ধরেও কোনো কাজে আসেনি। সরকারের কাছে দাবি জানাই কালচারাল ভবনটি সংস্কার করে আমাদের সংস্কৃতি ফিরিয়ে পাই।
বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ্  জানান রাখাইনদের সংস্কৃতি চর্চার স্থানের নতুন ভবন তৈরি সহ প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিবেন বলেন জানালেন।
এবিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপি এর সাথে কথা বলতে চাইলে তার ফুঠো ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও সে ফোনটি বন্ধ করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib