রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ট্রিপল মার্ডারের মুলহোতাসহ গ্রেফতার-২ বরিশাল বানারীপাড়ায় এমপি মিরা’র উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণীর জন্মদিনে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত সাগরে ট্রলার ডুবি দুই জেলের লাশ উদ্ধার কাঠালিয়ায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপিত ও অসহায় নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ হুমকির মুখে কুয়াকাটার একমাত্র ট্যুরিজম পার্ক ঘরের দরজায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন এসপি বিপ্লব কুমার সরকার গোপালগঞ্জে পালিত হলো বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী জীবন নগর উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স এর সিনিয়র স্টাফ নার্স তহমিনার করোনা পজেটিভ বাগেরহাটে বঙ্গমাতার জন্মদিনে আলোচনা সভা ও শেলাই মেশিন বিতরণ ইবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

ডাক্তার সাহেব, আপনি ভালো আছেন তো?

মোঃআজিজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ৭০ Time View
সবাই মিলে এক সাথে বাঁচবো,এটাই হোক প্রত্যয়…..
আমাদের সমাজে একজন ডাক্তারের দায়িত্বটা কতখানি, তা কেবল নিজে বা পরিবারের কেউ অসুস্থ হলেই বোঝা যায়। আমরা সবাই, ডাক্তারদের টাকাটা-ই দেখি।কিন্তু তাদের এপ্রোনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা দুঃখ কষ্ট আর হতাশাটাকে কখনোই দেখি না।
বাংলাদেশের বিজ্ঞান বিভাগে পড়া স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করেন তাদের জীবনের লক্ষ্য কি?বেশিরভাগেরই উত্তর পাবেন ডাক্তার হতে চায়। সেটি তারা বুঝে বলুক আর না বুঝে বলুক- কিন্তু ডাক্তার হতে চাওয়ার সংখ্যাটাই বেশি। শিক্ষা জীবনে মনে হয় মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সাথেই সবচেয়ে রূঢ় আচরণটা করা হয়। কিছু হলেই আইটেম পেন্ডিং আর সাপ্লির যন্ত্রণা।  কপাল ভালো হলে একবারে পাশ। না হলে ধুকতে হবে দিনের পর দিন।পাশ না হয় করলো। এবার ইন্টার্নশিপ এর ধকল। জীবনের রস কষ এখানেই প্রায় শেষ।
এবার বিসিএস দিয়ে হয়তো সরকারি চাকরিতে কেউ কেউ যোগ দেন। বাংলাদেশের বর্তমান ক্যাডার সার্ভিসের মধ্যে কেবল ডাক্তারদেরই ইউনিয়ন পর্যায়ে পদায়নের সুযোগ আছে। বলতে গেলে জনগণের দোড়গোড়ায় গিয়ে তারা সেবা প্রদান করেন।
নতুন নতুন নিয়ম করে তাদের গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা কি তাদের যাতায়াতের জন্য কিছু দিয়েছি? তাদের আবাসন নিশ্চিত করেছি? তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রাখি? ডাক্তারের দায়িত্বটা আলাদা। এটি একটি ইমারজেন্সি সার্ভিস। কিন্তু ডাক্তারের ইমারজেন্সি মুভমেন্টের জন্য কি করেছি? আলাদা করে বিশেষ কি দিচ্ছি তাদেরকে আমরা?
সকল মানুষের দাপট দেখানোর জায়গা হাসপাতাল। কোনো ডাক্তারই চায় না রোগীর ক্ষতি করতে। কোনো কারণে রোগী মরলে বাদ বিচার ছাড়াই ডাক্তারের দোষ। তাদের গায়ে হাত তুলতেও দ্বিধা করে না মানুষ। মামলার ক্ষেত্রে আছে নানা চাপ। মেডিকেল বা পোস্ট মর্টেম রিপোর্টের ক্ষেত্রে আইনের ভাষায় তারা স্বাধীন। কিন্তু তারা কতটা স্বাধীনভাবে কাজটি করতে পারে- তারাই ভালো জানেন।
কোনো বিষয়ে প্রতিবাদের জো নেই তাদের। পান থেকে চুন খসলেই দূর-দূরান্তে বদলী। বছরের পর বছর যায়, প্রমোশন নাই। জুনিয়র বিসিএস অফিসার তার বস হয়ে যায়। চলে বসিং, ভিজিটিং আর ইন্সপেকশনের নামে নানা হয়রানি। একদিকে  হাসপাতালে অনবরত রোগীদের দুঃখ- কষ্ট-ক্লেশ, অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ হওয়ার নানামুখী চাপ। সবই তাদের মুখ বুজে সইতে হয়।
হাসপাতালে রোগী হয়ে মানুষ আসে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়। রোগীকে কতজন দেখতে আসেন। সবাই আগ্রহভরে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করে রোগীর কী অবস্থা? কিন্তু কেউ একটা বারের জন্যও কেউ জানতে চায় না, ডাক্তার সাহেব, আপনি ভালো আছেন তো?

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib