শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
সিলেট বিভাগের সকল জেলায় জেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহীগন যোগাযোগ করুন somoysongjog24@gmail.com

জমে উঠতে শুরু করেছে আমতলীর অস্থায়ী গরীবের শীত বস্ত্রের বাজার, দামে হতাশ ক্রেতারা

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২১ Time View

দিন যত সামনে যাচ্ছে শীতের প্রকোপ ততটাই বাড়ছে। একারনে শীত নিবারণে গরম কাপড়ের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বরগুনার আমতলী পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট- বাজারগুলোতে গরীবের শীত বস্ত্রের বাজার হিসেবে পরিচিত ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে বেচা বিক্রি জমে উঠছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গরম কাপড় কিনতে ভীর করছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার অসহায় ও গরীব মানুষরা। গত বছরের তুলনায় এসব শীতবস্ত্রের দাম অনেকটা বৃদ্ধি পাওয়ায় হতাশ হচ্ছেন অনেক ক্রেতা।

উপজেলার বিভিন্ন স্থানের গ্রাম- গঞ্জে, হাট- বাজারে এবং আমতলী পৌর শহরের সরকারী কলেজের পেছনের সড়কে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শীতবস্ত্রের বাজারসহ বিভিন্ন ফুটপাতে ও (ভ্রাম্যমাণ) ভ্যান গাড়িতে করে বাহারি রঙের শীতবস্ত্র বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী এসব শীতবস্ত্রের দোকানে ছোট- বড়দের জ্যাকেট, সোয়েটার, কোট, মাফলার, হাত মোজা, টুপিসহ বিভিন্ন ধরনের শীতবস্ত্র মিলছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও গরিবদের জন্য এসব দোকানে পুরাতন শীতবস্ত্র স্বল্পমূল্যে পাওয়া গেলেও গত বছরের তুলনায় এবার এসকল কাপড়ের দাম কিছুটা বাড়তি। মূলতঃ যাদের বেশী টাকা দিয়ে নতুন গরম কাপড় কেনার সার্মথ্য নেই তারাই এসব শীতবস্ত্রের দোকানে গিয়ে পুরাতন গরম কাপড় ক্রয় করেন।

আমতলী সরকারী কলেজের পিছনে সড়কের অস্থায়ী বাজারে শীতবস্ত্র কিনতে আসা ছলেমান মিয়া নামের এক ক্রেতা বলেন, আমরা তো গরীব মানুষ, আমাদের তো বেশী দামে নতুন গরম কাপড় কেনার সামর্থ নেই। তাই শীত নিবারনে আমাদের এই গরীবের বাজারে আসছি। গত বছর এই বাজার থেকে যে কাপড়, ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় ক্রয় করেছি সেই কাপড় এবার বিক্রেতারা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা দাম চাচ্ছে। আমাদের মত নিম্ন বিত্তদের জন্য এমন দামে কাপড় কেনা কষ্টদায়ক।

আরেক ক্রেতা গৃহিনী সুফিয়া বেগম জানায়, এবার শীতে কাপড়ের দাম বাড়ায় অনেক দোকান ঘুরেও সাধ্যের মধ্যে আমার ও বাচ্ছাদের জন্য কোন গরম কাপড় কিনতে পারছি না। আমার মতো অনেকে কাপড় কিনতে এসে দামের কারণে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

শীতবস্ত্রের বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী মজিবুর রহমান বলেন, মহামারি করোনার কারণে বাইরের দেশ থেকে এখনো কোনো গরম কাপড় দেশে আসেনি। গত বছর এমন সময় দিনে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা বেচা- বিক্রি করেছি কিন্তু এবছর দিনে ১ হাজার টাকাও বেচা- বিক্রি হয় না। এছাড়া দেশিয় গরম কাপড়ের দাম একটু বেশি ফলে ক্রেতাদের বোঝানো ও কাপড় বিক্রি করতে নানা সমস্যা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: কাওসার হামিদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib