শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২২ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
ফ্রান্সে মহানবীকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রর্দশনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সাঃ)কে অবমাননার প্রতিবাদে সুবর্ণচরে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত ত্রিশালে খেলাফত যুব মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মহানবী (সঃ)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে চিতলমারীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বিরামপুর দিওড় ইউনিয়নে মসজিদে টাইলস দিলেন সমাজ সেবক আঃ মালেক মন্ডল ফ্রান্সে মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে পিরোজপুরের কাউখালীতে মানববন্ধন ফ্রান্সে বিশ্ব নবী মুহাম্মদ (সাঃ) ব্যাঙ্গচিত্র প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ রংপুরে নারী ও মেয়েদের অধিকার সুরক্ষাকারীদের প্রশিক্ষণ শুরু তালতলীতে সংযোগ ব্রিজটির বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী রংপুরে নিয়ম নীতিমালা ভঙ্গ করে বোরিং লাইসেন্স নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে

ঘূর্ণিঝড় ফণী’র প্রভাবে মির্জাগঞ্জে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৫ গ্রাম প্লাবিত॥ নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে পায়রা পাড়ের লোকজন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ মে, ২০১৯
  • ১০৩ Time View

মোঃ কামরুজ্জামান বাঁধন, বিশেষ প্রতিনিধি।।
ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের মেন্দিয়াবাদ গ্রামের পায়রা নদীর বাঁধ ভেঙ্গে ৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল দশটার দিকে পায়রা নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির স্রোতের চাপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৪১/৭ নং পোল্ডারের মেন্দিয়াবাদ গ্রামের বাধঁ ভেঙ্গে রবি ফসলী মাঠ ও বসত ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল নিয়ে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন পার্শ্ববর্তী নিরাপদ স্থানে। গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে ঝড়ে উপজেলার ২০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্থসহ সহাস্্রাধিক গাছ উপড়ে পড়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। উপজেলার মেন্দিয়াবাদ গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সানু বলেন, ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সিডরে এ এলাকার জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল, ঐ ঘূর্ণিঝড় সিডরে এখানকার ৯০ জন লোক মারা গিয়েছিলো আর শতাধিক ব্যক্তির আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। ফণী’র কথা শুনেই আতঙ্কে আছি। শুক্রবার সকালে মেন্দিয়াবাদ গ্রামের বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকলয়ে পানি ঢুকেছে। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান করছি। বেড়িবাঁধ ভেঙে আমার বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। রাতের জোয়ারে কি হবে জানি না। এ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মোনসে আলী সিকদারের আপত্তির কারনে গত দুই বছর পর্যন্ত মেন্দিয়াবাদ গ্রামের বাধঁ নির্মান করা হয় না। পায়রার ভাঙ্গনের কারনে নতুন বেড়িবাধঁ মোনসে আলী সিকদারের জমির উপর দিয়ে নেয়ার কথা কিন্তু তিনি জমি না দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ড এখানে বেধিবাধঁ নির্মান করতে পারছেনা। এতে প্রায়ই পায়রা নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেলে পানিতে এখানকার ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এলাকার লোকজন নিজেদের উদ্যোগে মাটি দিয়ে জোয়ারের পানি কোন মতে বাধঁ দিলেও ফনি’র প্রভাবে তা ভেঙ্গে গ্রামগুলো প্লাবিত হয়। এদিকে বাধঁ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করার খবরশুনে সেখানে ছুটে যান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী,উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল জাকী ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসাইন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল জাকী বলেন, ঘূর্নিঝড় ফনি’র প্রভাবে মেন্দিয়াবাদ গ্রামের পায়রা নদীর বাধঁ ভেঙ্গে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় সেখানে ছুটে যাই এবং ওই এলাকাসহ অন্য এলাকার প্রায় ৩ হাজার মানুষসহ তাদের গৃহপালিত পশুকেও নিরাপদে আশ্রয়ে নেয়া হয়েছে। অন্য ইউনিয়নের তেমন কোন সমস্যা নেই। পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের মেন্দিয়াবাদ গ্রামের পায়রা নদীর ৪৭/১ নং পোল্ডারে আগে থেকেই বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ ছিল। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই পয়েন্ট থেকে গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। মানুষ যাতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ না হয় তার ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছি।এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র ছোবল থেকে উপজেলার জনসাধারনকে নিরাপদে রাখতে ৩৪ টি আশ্রয়ন কেন্দ্র গত বৃহঃস্পতিবার থেকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল জাকী বলেন,আশ্রয়ন কেন্দ্র প্রস্তুত করার পাশাপাশি জনসাধারন যাতে সময়মতো আশ্রয়ন কেন্দ্রে যেতে পারে সেজন্য উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ব্যাপক মাইকিং করা হয়েছে। ৭নং হুসিয়ারী সংকেত পাওয়ার সাথে সাথে মাছ ধরার ছোট বড় ট্রলার ও নৌকা নিয়ে স্থানীয় জেলেদেরকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে উপজেলা প্রশাসন থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।স্বেচ্ছাসেবক দল ও মেডিকেল টিম গঠন করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বেড়ীবাধঁ ভেঙ্গে পানি প্রবেশের এলাকা পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী,উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল জাকী ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসাইন পুলিশ ফোর্স নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্থানীয় লোকজনকে ডেকে নিয়ে এসে নিকটবর্তী আশ্রয় কেন্দ্রে গুলোতে তুলে দিয়ে আসেন ##

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib