শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
ঝালকাঠিতে শহীদ মিনার ভেঙে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে অবৈধভাবে স্টল নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের জন্য জবির ১৮ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি খাগড়াছড়িতে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত। মাধবপুর পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুয়াকাটায় ডাক্তার গ্রুপের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে এনে সংবাদ সম্মেলন পিরোজপুরের নাজিরপুরে দুই শিক্ষার্থীকে আটকে মারধর করার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের হিলি স্থল বন্দর পরিদর্শন টঙ্গীতে যুবলীগ নেতা আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের সংবাদ সম্মেলন পিরোজপুরের নাজিরপুরে কলেজ ছাত্রী ও স্কুল ছাত্রকে দিনভর আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা: গ্রেফতার- ১ পঞ্চম বারের মতো রংপুর রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে পুরস্কার পেলেন বিপ্লব কুমার সরকার।

কেউ বোঝেনা ননএমপিও শিক্ষকদের কষ্ট

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৬ Time View
দেশ যখন দুর্বার গতিতে এগিয়ে শিক্ষার গুনগত মান নিয়ে সোচ্চার  শিক্ষা কর্তৃপক্ষ । তখন দেশের উত্তরের জেলা হিমালয় কন্যাখ্যাত পঞ্চগড় জেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী সংগ্রহে ।
জেলার মুষ্টিমেয় কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা
রাতদিন শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন প্রকার সুযোগ সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আকৃষ্ট করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের । পাশা পাশি অভিভাবকদের সাথে হাটে বাজারেও দেখাসহ শিক্ষকরা মাইকিং পোস্টার ,লিফলেট বিতরণ করছে। কলেজের (এইচ এস সির) তুলনায় মাদ্রাসার (আলিম) ও  ননএপিও কারিগরি ( বি এম এ)  শিক্ষকরা  প্রতিষ্ঠান এমপিও’র নীতিমালা পূরনে
একটু  বেশিই ব্যস্ত।
আরবী প্রভাষক আব্দুল মোত্তালেব জানান, সাধারন শিক্ষা  ও মাদ্রাসা শিক্ষার বহুমুখী  বৈষ্যমের  কারনে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী  সংকট দেখা দিয়েছে । কর্মজীবনে মাদ্রাসা শিক্ষাকে অবহেলার কারণে কর্ম বিমুখ করে বেকার জীবনের সম্ভবনার সৃষ্টি হয়।
ননএপিও ভুক্ত কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মমিনুর রহমান মমিন জানান,  নয় বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। একদিকে বেতন ভাতা নাই তার উপর শিক্ষার্থী সংগ্রহ করতে বাড়ি বাড়ি যেতে হয়। যদি এভাবেই অব্যাহত থাকে তাহলে বেঁচে থাকার জন্য আমার অন্যের কাছে হাত পেতে হবে। এছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না আমার।
কেউ বোঝে না আমাদের কষ্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib