শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২২ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
বাগেরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যা মামলায় ফাসানোর চেষ্টার অভিযোগ একমাসেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুল শিক্ষার্থী, পাচারের শঙ্কা পরিবারের নির্বাচন পরবর্তী পরাজিত ও বিজয়ী প্রার্থীর সমার্থকদের সংঘষর্, উভয় পক্ষের ২০জন আহত শার্শায় উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত শার্শায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা ও শ্লীলতা হানির অভিযোগ আমতলীসহ উপকূলের গ্রামাঞ্চলে মাছ ধরতে বাঁশের তৈরী ফাঁদ ‘চাঁই’ বিক্রির ধুম আমতলীতে স্ত্রীকে এসিড মেরে জলসে দেয়া ও গুলি করে হত্যার হুমকি বিরামপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল আমতলীতে ‘মৃত’ ব্যক্তি করোনা টিকা নিতে চান ৮ দিনেও খোঁজ মেলেনি চুরি হওয়া নবজাতকের
সিলেট বিভাগের সকল জেলায় জেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহীগন যোগাযোগ করুন somoysongjog24@gmail.com

কুয়াকাটা সৈকত এলাকায় সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

জনি আলমগীর কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • Update Time : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ১৮ Time View
জেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট এলাকায় বেরীবাঁধের বাহিরে সৈকত সংলগ্ন  সরকারী জমিতে একের পর এক নির্মাণ করা হচ্ছে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা। ভূমি প্রশাসন নিষেধ করার পরও এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছে দখলদাররা।
কোন ভাবেই অবৈধ দখল কার্যক্রম বন্ধ করা যাচ্ছে না। আইনী জটিলতার অজুহাতে ভূমি প্রশাসন এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মান বন্ধ করতে পারছেনা বলে জানান স্থানীয় ভূমি কর্তৃপক্ষ । নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দখল এবং নির্মাণ কাজ চালিয়ে আসছে ভূমি খেকো ওই চক্রটি। আবার কেউ কেউ এসব জমি কোটি টাকায় বিক্রিও করারও অভিযোগ রয়েছে।সরকারি জমি দখল দূষণের এমন দৃশ্য দেখে হতবাক পরিবেশবিদরা। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্নয়কারী লিংকন বায়েন উদ্দেগ প্রকাশ করে বলেন, সৈকত এলাকায় সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ পরিবেশ আইনের বিপরীত। এভাবে দখল দূষণ চলতে থাকলে সৈকত এলাকার পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে। তাই এখনই দখল রোধে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে তিনি দাবি করেন।
এর ফলে সরকারের গৃহীত পরিকল্পিত নগরী গড়ার প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে।জানা গেছে, কুয়াকাটা বেরীবাধেঁর বাহিরে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকায় কোন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ কাজ করা যাবেনা মর্মে হাই কোর্টের নির্দেশনা রয়েছে। উচ্চ আদালতের এমন নির্দেশনার পরও সরকারি জমি দখল এবং স্থাপনা নির্মাণ কাজ চলে আসছে। গত কয়েকদিন ধরে সৈকত সংলগ্ন এলাকায় সরদার মার্কেট কতৃপক্ষ, সানরাইজ হোটেল ও বামনা হোটেল কতৃপক্ষ পাকা ও আধা পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে। এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজ মৌখিকভাবে বন্ধ করলেও দখলদাররা রাতের আধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি সৈকতের বালিয়াড়িতে পাকা ভবন ও টং ঘর নির্মাণ করছে।
স্থানীয়রা জানান, বেরীবাধেঁর বাইরের এসব সরকারি জমি গত কয়েক বছর আগেও পতিত ছিল। ভূমি অফিসের উদাসীনতার সূযোগে এসব পতিত জমিতে ভুয়া মালিকানার দাবি নিয়ে দখলদাররা গড়ে তুলেছে আবাসিক হোটেলসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এসব দখলদারদের তালিকায় বর্তমান ও সাবেক পৌর মেয়রের নামও রয়েছে।এসব অবৈধ দখলদারদের বিষয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা উপজেলা ভূমি প্রশাসনকে অনুরোধ জানালেও উপজেলা ভূমি কতৃপক্ষ অদ্যবদি কোন ব্যবস্থা নেয়নি। শুধুমাত্র মৌখিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে ভূমি প্রশাসনের কার্যক্রম।
সানরাইজ হোটেল মালিক কে এম শাহজালাল এ প্রতিনিধিকে বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিরোধীয় জমিতে ঘর দুয়ার নির্মাণ, সংস্কার ও ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করতে পারবেন তিনি। সেখানে সরকার পক্ষ কোন প্রকার বাঁধা প্রদান করতে পারবেন না। আদালতের এমন রায় নিয়েও স্থানীয়দের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া রয়েছে। অথচ সানরাইজ কতৃপক্ষ নতুন নতুন আধাপাকা ও টিনের ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে। প্রশাসনও এসব বিষয় অবগত আছেন বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) জগৎবন্ধু মন্ডল সাংবাদিকদের জানান, সানরাইজ কতৃপক্ষ সেমি পাকা ঘর তুলছে শুনে তহসিলদারকে পাঠিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। নতুন কোন স্থাপনা নির্মাণ করতে নিষেধ করে দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: কাওসার হামিদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib