বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
রংপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় এএসআই রাহেনুল জড়িত বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ২৯ নভেম্বর রেলমন্ত্রী। সম্প্রসারিত মেডিকেল সেন্টারে প্যাথলজি ল্যাব স্থাপন কাজের উদ্বোধন বনদস্যুদের গুলিতে আহত মৎসজীবি নজির অবশেষে মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন বাগেরহাটে ছেলে হত্যার বিচার ও জীবনের নিরাপত্তার দাবীতে বৃদ্ধের সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ভুল অপারেশনে মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা ঝালকাঠিতে মা ইলিশ ধরার দায়ে আরও ২ জেলের কারাদন্ড ঝালকাঠিতে আর্সেনিকমুক্ত পানি বিষয়ক একদিনের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে ঝালকাঠিতে একজন সফল উদ্যোক্তা সৈয়দ এনামুল হক

এত কম দামে পাট বিক্রি করে পোষায় না

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১৩২ Time View

অনলাইন ডেস্কঃ

‘এবার পাটের দাম কম। গত তিন মাস ধইরা যেই শ্রম দেওয়া লাগছে, তা জলে গেছে। এত কম দামে পাট বিক্রি করে পোষায় না।’ এমনটিই বলছিলেন মুন্সিগঞ্জের পাট চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় মোট তিন হাজার ৫৬৩ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। এর মধ্যে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় ৫০৮ হেক্টর, টংগিবাড়ী উপজেলায় ৭৩৫ হেক্টর, শ্রীনগর উপজেলায় ৬৫ হেক্টর, সিরাজদিখান উপজেলায় এক হাজার ৭৩০ হেক্টর, লৌহজং উপজেলায় ৩২০ হেক্টর এবং গজারিয়া উপজেলায় ২০৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে।জানা যায়, পাট বিক্রি করেও লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না মুন্সিগঞ্জের চাষিরা। যেই ঋণ ও জমানো টাকা দিয়ে চাষ শুরু হয়েছিল, শুধু সেই খরচ উঠছে। অনেকের আবার সেটুকুও নেই। লোকসান গুণে এখন হতাশাগ্রস্ত। প্রতি মণ পাটে মজুরিসহ খরচ পড়েছে প্রায় এক হাজার ৫০০ টাকা। চাষিরা বর্তমানে প্রতি মণ পাট এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে এক হাজার ৫৫০ টাকায় বিক্রি করতে পারছে।

টংগিবাড়ী উপজেলার বলই গ্রামের চাষি আলী হোসেন  বলেন, ৪০ মণ পাটের মধ্যে মাত্র চার মণ পাট মণপ্রতি এক হাজার ৯০০ টাকা দরে বিক্রি করতে পেরেছিলাম। এখন পাইকার ব্যবসায়ীরা মণপ্রতি এক হাজার ৫০০ টাকা করে বলছে। তাই পাট এখনও বিক্রি করি নাই। প্রতি মণ পাট চাষে যে টাকা খরচ হয়েছে, তাতে এক হাজার ৫০০ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি করে কোনো লাভ নেই। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. শফিকুল হাসান বাংলানিউজকে জানান, প্রতি মণ পাটে কৃষকের খরচ পড়েছে প্রায় এক হাজার ৫০০ টাকা। এখন পাটের যে দাম, তাতে কৃষকের লাভ থাকছে না। দেশি সিবি-১, সিবি-৩, তোষা-৯৮ ও ৯৭ জাতের পাট এ জেলায় চাষ হয়ে থাকে। চাষিদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পাট কেনার কোনো ব্যবস্থা নেই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় দেশি পাট আবাদ হয়েছে ৪৮৭ হেক্টর ও তোষা পাট আবাদ হয়েছে ২১ হেক্টর জমিতে।

এছাড়া টংগিবাড়ী উপজেলায় দেশি পাট ৪৭৫ হেক্টর ও তোষা পাট ২৬০ হেক্টর, শ্রীনগর উপজেলায় দেশি পাট ৪০ হেক্টর ও তোষা পাট ২৫ হেক্টর, সিরাজদিখান উপজেলায় দেশি পাট ১৫০ হেক্টর ও তোষা পাট এক হাজার ৫৮০ হেক্টর, লৌহজং উপজেলায় দেশি পাট ২৫০ হেক্টর ও তোষা পাট ৭০ হেক্টর এবং গজারিয়া উপজেলায় দেশি পাট ২০৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib