শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
ঝালকাঠিতে শহীদ মিনার ভেঙে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে অবৈধভাবে স্টল নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের জন্য জবির ১৮ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি খাগড়াছড়িতে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত। মাধবপুর পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুয়াকাটায় ডাক্তার গ্রুপের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে এনে সংবাদ সম্মেলন পিরোজপুরের নাজিরপুরে দুই শিক্ষার্থীকে আটকে মারধর করার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের হিলি স্থল বন্দর পরিদর্শন টঙ্গীতে যুবলীগ নেতা আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের সংবাদ সম্মেলন পিরোজপুরের নাজিরপুরে কলেজ ছাত্রী ও স্কুল ছাত্রকে দিনভর আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা: গ্রেফতার- ১ পঞ্চম বারের মতো রংপুর রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে পুরস্কার পেলেন বিপ্লব কুমার সরকার।

ইলিশ উৎপাদে শীর্ষেে বাংলাদেশ

মোঃরমজান চৌধুরী, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৬ Time View

ইলিশ উৎপাদনে বেশ সাফল্য অর্জন করে নিয়েছে বাংলাদেশ। সুস্বাদু এই মাছ উৎপাদনের ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করে নিয়েছে সোনার বাংলাদেশ। বর্তমান বিশ্বে মোট ইলিশ উৎপাদনের ৮৬ শতাংশই উৎপাদিত হচ্ছে এদেশে। লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, মাত্র চার বছর আগেও ৬৫ শতাংশ ছিল এই ইলিশ উৎপাদনের হার।

সরকারের নানা কার্যকর পদক্ষেপের ফলে ধারাবাহিকভাবে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের চলতি মাসের হিসাবে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ভারতে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে অন্যতম আলোচনার বিষয় ছিল বাংলাদেশে কীভাবে ইলিশের উৎপাদন বাড়ল।

ওয়ার্ল্ডফিশের তথ্যমতে, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলংকা ও পাকিস্তানে ইলিশের উৎপাদন কমেছে। বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে ভারত। পাঁচ বছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো। তবে চলতি বছর তাদের উৎপাদন প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশে নেমেছে। এছাড়া তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মিয়ানমার। দেশটিতে ৩ শতাংশের মতো উৎপাদন হয়েছে। আর ইরান, ইরাক, কুয়েত ও পাকিস্তানে বাকি ইলিশ উৎপাদন হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, মা ও জাটকা ইলিশ ধরা বন্ধ করায় আমাদের এখানে এই সাফল্য এসেছে। ইলিশের বড় হওয়ার জন্য অভয়াশ্রমগুলো বাড়ানো এবং সুরক্ষা দেয়াও ভূমিকা রেখেছে। ইলিশ ধরার জালের আকৃতি নতুনভাবে নির্ধারণ করায় ভবিষ্যতে আরো বাড়বে ইলিশের উৎপাদন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে প্রতিবছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে এই মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এ কর্মসূচিও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে ওয়ার্ল্ডফিশ, মৎস্য অধিদফতর ও মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবার শুধু পরিমাণের দিক থেকেই নয়, আকৃতির দিকে থেকেও কোনও দেশ বাংলাদেশের ইলিশের ধারেকাছে নেই।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের মৎস্য অধিদফতর, মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট ও ওয়ার্ল্ডফিশ ২০১৮-১৯ সালে বাংলাদেশ যৌথভাবে ইলিশের জিনগত বৈশিষ্ট্য ও গতিবিধি নিয়ে প্রথম একটি গবেষণা করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib