বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
নীলফামারী সদর ৫ নং টুপামারীর ইউনিয়ন পরিষদে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ। তারাগঞ্জে গরুবাহী নসিমনের নিচে চাপা পড়ে নিহত একজন আউচপাড়া ইউনিয়নের হাড়িপাড়া বিল,ব্যক্তি মালিকানা জমি লিজের মাধ্যমে এলাকাবাসীর মাছ চাষ জবির পরিবহন পুলে নতুন দুইটি এসি মাইক্রোবাস চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিভিন্ন সারের দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা আদায় নওগাঁয় বন্ধ হয়ে যাওয়া বয়লার চাতালে বস্তায় মাটি ভরে আদা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন মোনায়েম হোসেন নামের এক চাতাল মালিক ঝালকাঠিতে আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ আত্মসাত ও সেচ্ছাচারীতার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফ্রান্সে মহানবীর (সা:) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে পিরোজপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হিলিতে ছিন্তাই কারীর ছুরিকাঘাতে গরু ব‍্যবসায়ী নিহত চুয়াডাঙ্গার নিকৃষ্ট ধর্ষক দাদা অবশেষে গ্রেফতার

আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে গেছে রংপুর সিটি করপোরেশন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯
  • ৮৩ Time View

আলো রহমান আখি, রংপুর ব্যুরোঃ

রংপুর সিটি কর্পোরেশনে(রসিক)ডিজিটাল নিবন্ধন ও সর্বাধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত দেশের প্রথম আদর্শ নগর স্থায়ী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই )টিকা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রসিক স্বাস্থ্য বিভাগে ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি রসিক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। এই উপলক্ষে নগর ভবন মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাক্তার মোস্তফা খালেদ আহম্মেদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইপিআই কর্মসূচীর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডাক্তার মওলা বক্স চৌধুরী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডাক্তার রাজেন্দ্র বহরা। এতে সভাপতিত্ব করেন রসিক সচিব রাশেদুল হক। নগরির প্রত্যেকটি শিশু ও নবজাতক সকল শিশুকে ইপিআই টিকার আওতায় এনে টিকা দানের হার শত ভাগে উন্নীত করার অঙ্গিকার করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রসিক মেয়র বলেন,মা ও নবজাতক শিশুর স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে মডেল হিসেবে সারা ফেলেছে এখানকার স্বাস্থ্য বিভাগ। রংপুর সিটি করপোরেশনের জনসচেতনতা বাড়ানোর সঙ্গে সংঙ্গে এখন চলছে উদ্বুদ্ধকরণ প্রণোদনা। প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে গেছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)। ডিজিটালের ছোঁয়া বদলে দিয়েছে বহুদিনের সনাতন পদ্ধতিতে স্বাস্থ্য সেবার প্রক্রিয়া। তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগী গর্ভবতি, নবজাতক, মা ও শিশুর সেবার মান বাড়াতে ও নিয়মিত টিকা গ্রহণে নেওয়া হয়েছে নানান উদ্যোগ। এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচও’র রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. জুবায়ের আল মামুন প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন,টিকাদান প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও ঝামেলামুক্ত করতে আমরা এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি। রংপুর সিটি করপোরেশন এ ধরনের সেবা প্রদানে সারাদেশের মধ্যে মডেল। আগামিতে ইপিআইকে আরও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করা হবে। বর্তমানে কাউন্টার হতে টোকেন সংগ্রহ করতে একটু ভিড় হয়। কিন্তু টোকেনে দেওয়া সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সেবা নিচ্ছেন মা ও শিশুরা। শুধু তাই নয়, টিকাদানে আলাদা ও নিরাপদ কক্ষ রয়েছে । এখন টিকা গ্রহণের তারিখ আসার আগে এবং পরে মোবাইল ফোনে এসএমএস দেওয়া হয়। সেবা গ্রহণকারী মা ও শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে প্রণোদনা পুরস্কার। সময়মতো সকল টিকা গ্রহণকারী মা ও শিশুকে দেওয়া হচ্ছে সার্টিফিকেট।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রসিকের স্বাস্থ্য বিভাগে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,আগের মতো নবজাতক শিশুর টিকা গ্রহণ নিয়ে কোনো বিড়ম্বনা নেই। আগের চেয়ে অনেক টা কমে গেছে শিশুদের নিয়ে টিকা দিতে আসা নারীদের কালক্ষেপণের অভিযোগ। তবে সব কিছুতে লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। সব মিলিয়ে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর ডাটাবেজ তৈরির মাধ্যমে আরও সহজ করা হয়েছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি। টিকা দিতে এসে এক সময় জোর পূর্বক আগে সেবা গ্রহণ করা নিয়ে উদ্ভট পরিস্থিতি তৈরি হতো। এখন তা নেই। সন্তানকে নিয়ে টিকা নিতে আসা আলো মনি আখিঁ বলেন, ‘সুন্দর পরিবেশে বাচ্চাকে টিকা দেওয়া হলো। আগের মতো এখন টিকা নিতে এসে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে না। সবকিছু ডিজিটাল হয়েছে। বাচ্চাকে টিকা দেওয়ার পরপরই একটা এসএমএম ফোনে এসেছে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পাড়া-মহল্লায়, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবং বস্তিতে উঠান বৈঠক ও মা সমাবেশের মাধ্যমে ইপিআইযের সেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়া প্রচার কাজে এখন ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অর্থায়ন ও এটুআই প্রকল্পের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনই প্রথম এই মডেল সেবা দিচ্ছেন। চলতি বছরের আগস্টে সেবাগ্রহীতা মা ও শিশুর তথ্যসমৃদ্ধ স্বাস্থ্যসেবা অ্যাপস ব্যবহারের সুবিধাও পাবেন নগরবাসী। এদিকে, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান এবনে তাজ প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, সেবা গ্রহণে মা ও শিশুসহ পরিবারগুলোকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। আমরা আধুনিক সুবিধা সম্বলিত কার্যক্রম পরিচালনা করছি। তিনি আরও বলেন, ‘গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মী গেলে সবাই একত্রিত হয়। স্বাস্থ্যকর্মীর কাছ থেকে সেবা গ্রহণ করেন। কিন্তু শহরে এর উল্টো চিত্র। এখানে অনেক সময় বাড়ি বাড়ি গিয়েও সুবিধা ভোগীদের দেখা যায় না। স্বাস্থ্যকর্মীদের অনেক কষ্ট করতে হয়। সেই কষ্ট ও বিড়ম্বনা এখন কমে এসেছে। এর আগে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষে একটি র‌্যালি নগর প্রদক্ষিণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: সময় সংযোগ টুয়েন্টিফোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib