বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
মুজিব বর্ষ
শিরোনাম :
প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় বিরলে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত জবি উপাচার্যের নতুন ক্যাম্পাস পরিদর্শন ঝিকরা ৪নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কাউন্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র শরিফুজ্জামান উজ্জ্বল হিলি সীমান্ত ওআশে পাশের বিওপি ক‍্যাম্পের বিজিবি সদস‍্যদের মাদক বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমান মাদক শাড়ী উদ্ধার আটক ১ বগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার চেক হস্তান্তর বাগেরহাটে জনশুমারি ও গৃহগননার অবহিতকরন সভা বাগেরহাটে সাড়ে ৭ লাখ ডোজ কোভিট ১৯ টিকা রাখার ওয়ারহাউজ প্রস্তুত বানারীপাড়া বন্দর বাজারে অনুমোদনহীন ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ নওগাঁয় ভাষা সৈনিক শেখ নুরুল ইসলামের ১৩তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরনসভা অনুষ্ঠিত

আজ হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৫ Time View
আজ বুধবার (১৩ জানুয়ারী), দিনাজপুরের হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস। আজ থেকে ২৬ বছর আগে ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি হিলি রেলস্টেশনে দেশের সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান ২৭ জন। তবে ২৬ বছরেও আহত ও নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি। এমনকি আজও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন।
বাংলাহিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীণ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও হিলি স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় হিলি রেল স্টেশনে ক্রসিংয়ের উদ্দেশ্যে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন। তবে সেসময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি।
এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে ভারি হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস। এদুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় দুটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক যাত্রী। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে। পরে স্থানীয় মানুষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সহায়তায় লাশ উদ্ধারসহ আহতদের দ্রুত উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। সেসময় সরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা ২৭ জন ঘোষণা করা হয়। আর আহতের সংখ্যা বলা হয় শতাধিক।
দুর্ঘটনার পরদিন ১৪ জানুয়ারি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। কিন্তু দুর্ঘটনার ২৬ বছরেও আহত ও নিহতদের অনেক পরিবার সেই ক্ষতিপূরণের টাকা পায়নি। সেই সঙ্গে আজও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। এদিকে প্রতিবারের ন্যয় এবারও স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে কলো ব্যাচ ধারণ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

posted by: মোঃ জহিরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © by somoy songjog 24 | Developed by Md. Rajib